Hotline Free:01906-607107

Sale

অটোমান এম্পায়ার (উসমানি খিলাফতের ইতিহাস) (১ম-২য় খণ্ড)

৳ 1,000.00 ৳ 700.00
লেখক : ড. আলী মুহাম্মদ আস-সাল্লাবী
প্রকাশনী : কালান্তর প্রকাশনী
বিষয় : ইসলামি ইতিহাস ও ঐতিহ্য
অনুবাদ : আবদুর রশীদ তারাপাশী
পৃষ্ঠাসংখ্যা : ১ম খণ্ড ৪৪০, ২য় খণ্ড ৪৪০
খিলাফতব্যবস্থা পৃথিবীর ইতিহাসে দোর্দণ্ড প্রতাপের সঙ্গে দীর্ঘ সময় টিকে থাকা একমাত্র শাসনব্যবস্থা। প্রায় সাড়ে ১৩ শ বছর এই শাসনব্যবস্থা পৃথিবীকে নেতৃত্ব দিয়েছে শান্তি-শৃঙ্খলা ও ইনসাফের সঙ্গে। খিলাফতে রাশিদার পর নেতৃত্বের বাগডোর ছিল বংশপরম্পরায়। সর্বশেষ খিলাফতের নেতৃত্ব দিয়েছে তুর্কি বংশোদ্ভূত উসমানিগণ। ইতিহাসে যাঁরা অটোমান হিসেবে পরিচিত।
এই বইয়ে আলোচিত হয়েছে উসমানি সাম্রাজ্যের উত্থান ও পতন নিয়ে। কীভাবে উত্থান হয়েছিল উসমানি সাম্রাজ্যের। তারপর কীভাবে খিলাফতের নেতৃত্ব তাঁদের হাতে আসে। কীভাবে এই উসমানি সাম্রাজ্য প্রায় ৭০০ বছর শাসনের পর নেতৃত্ব হারায় এবং সাড়ে ১৩ শ বছর নেতৃত্ব দেওয়া খিলাফতব্যবস্থার পতন হয়। কীভাবে খিলাফতব্যবস্থার পতন ঘটিয়ে পশ্চিমা সেকুলার গণতন্ত্র মুসলিম উম্মাহর ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয়। মুসলিম উম্মাহর বিরুদ্ধে আরও নানাবিধ করুণ ষড়যন্ত্রের ইতিহাস এই বইয়ে তুলে ধরা হয়েছে।
Sale

আমলি জিন্দেগি (ইলম ও আমলের সমন্বয়)

৳ 598.00 ৳ 328.00
লেখক : ইমাম আবু বকর খতিব আল-বাগদাদি রহ
প্রকাশনী : মাকতাবাতুস সুন্নাহ (বাংলাবাজার)
বিষয় : ইবাদত, আত্মশুদ্ধি ও অনুপ্রেরণা
ভাষান্তর: মুফতি আবুল ওয়াফা শামসুদ্দিন আযহারী
দাওরায়ে হাদিস ও তাখাসসুস ফিল ফিকহ (ইফতা)
জামিয়া আরাবিয়া ইমদাদুল উলুম ফরিদাবাদ,ঢাকা১২০৪।
অনার্স, ইসলামিক ল্য,আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয়,কায়রো,মিশর।
সম্পাদক: মুফতি খালিদ সাইফুল্লাহ কাসেমি
ফাযেলে দারুল উলুম দেওবন্দ,ভারত।
পৃষ্ঠা ৩২০, হার্ডকভার, ৮০মি কালার কগজ
কুরআনে কারিমে আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, “যে ব্যক্তি সামান্য অনু-পরিমাণ নেক আমল করবে কিয়ামত দিবসে সে তা দেখতে পাবে। আর যে ব্যক্তি সামান্য অনু-পরিমাণ বদ-আমল করবে কিয়ামত দিবসে তাও দেখতে পাবে।”সহিহ হাদিসে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “আল্লাহ তাআলা তোমাদের বাহিক্য আকৃতি ও শারীরিক গঠনের দিকে লক্ষ্য করেন না। তিনি তোমাদের অন্তর ও আমলের দিকে লক্ষ্য করেন।”
কুরআনে কারিম-হাদিস শরিফ যেমন ইলম অর্জনের তাগিদ প্রদান করা হয়েছে তেমনি বিশেষভাবে অমলেরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ‘ইলমের গ্রহণযোগ্যতা, সুরক্ষা, হাতিয়ার, ও সুন্দর্যতা হল আমল বা আমলে সালিহ’। হাশরের ময়দানে ইলম কি পরিমাণ অর্জন করা হয়েছে তা জিজ্ঞাসা করা হবে না, বরং ‘আমলে সালিহ’ কি পরিমাণ সম্পাদন করা হয়েছে তা অবশ্যই জিজ্ঞাসা করা হবে। আমাদের সমাজে বর্তমানে এমন মানুষ পাওয়া খুবই দুষ্কর যিনি কুরআন-হাদিস সম্পর্কে কিছুই জানেন না। সবাই অন্তত কিছু না কিছু হলেও মাসআলা-মাসাইল জানেন।আমাদের জ্ঞানের উন্নতি ঘটলেও আমলের অধঃপতন ঘটছে প্রতিনিয়ত। অথচ কুরআনুল কারিম-হাদিস শরিফ দু’টিকেই সমান গুরুত্ব দিয়েছে।ইলমহীন আমল যেমন গ্রহণযোগ্য নয়,ঠিক তেমনিভাবে আমলহীন ইলমও গ্রহণযোগ্য নয়। ‘আমলি জিন্দেগি’র এমন গুরুত্বের কারণে সালাফদের মাধ্যে সাহাবি, তাবেয়ি, ফকিহ ও মুহাদ্দিস সকলেই অর্জিত ইলম নিয়ে সংকিত ছিলেন। তারা সর্বদা চিন্তা করতেন এবং ভীতসন্ত্রস্ত থাকতেন-আল্লাহ তাআলার দরবারে কি জবাব দিবেন তাঁরা? অর্জিত ইলমের হক কতটুকু আদায় করতে পেরেছেন? কিয়ামত দিবসে কীভাবে ইলমের হিসাব দিবেন, নাকি এই ইলমের কারণে হিসাব দিবসে আটকে যাবেন?সালাফগণ ইলমের সাথে সাথে ‘আমলি জিন্দেগি’কে সমান গুরুত্ব দিয়েছেন। হিজরি পঞ্চম শতাব্দীর বিখ্যাত আলিম ইমাম আবু বকর খতিব আল-বাগদাদি রহ. তালেবুল ইলম সহ সকল শ্রেণীর মুসলিমদেরকে আমলের প্রতি আগ্রহী ও ‘আমলি জিন্দেগি’ গড়ে তোলার নিমিত্তে ﺍﻗﺘﻀﺎﺀ ﺍﻟﻌﻠﻢ ﻭﺍﻟﻌﻤﻞ / “ইকতেজাউল ইলম ওয়াল আমল” নামে একক একটি গ্রন্থ রচনা করেন। বাগদাদি রহ.এর বইটিতে নিজ বর্ণনাসূত্রে কুরআনে কারিমের তাফসির, হাদিস, সাহাবা রাযি. এর আছার ও তাবেয়ি রহ. এর বাণী সংকলন করেছেন।আরবি বইটি খুবই যত্নসহকারে অনুবাদ ও বিশ্লেষণ করেছেন মুফতি আবুল ওয়াফা শামসুদ্দিন আযহারী। বইটির অনুবাদক ‘গ্রন্থকার বাগদাদি রহ.’ পর্যন্ত ধারাবাহিক সনদ উল্লেখ করেছেন। তিনি আরবি গ্রন্থটির হাদিস ও আছারের তাখরিজ, টীকা সংযোজন ও সার্বিক ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ করে বাংলাভাষী পাঠকদের পাঠপোযুগী করে তুলেছেন। বইটির নাম দিয়েছেন,
রাসুল ﷺ ও সাহাবিদের চোখে “আমলি জিন্দেগি”
Sale

আমেরিকায় দুই মাস (হার্ডকভার

৳ 570.00 ৳ 330.00
লেখক : শাইখ রাবে হাসানি নদভি হাফি.
প্রকাশনী : মাকতাবাতুস সুন্নাহ (বাংলাবাজার)
বিষয় : ইসলামী সাহিত্য, গল্প-উপন্যাস এবং সফরনামা
পৃষ্ঠা: ৩২০
আমেরিকা বর্তমান বিশ্বের স্বঘোষিত সুপার পাওয়ার। যার কারসাজিতে দেশে দেশে যুদ্ধও সৃষ্টি হয়, শান্তিও স্থাপিত হয়। প্রবল ক্ষমতাধর একটি দেশ। প্রাকৃতিক সম্পদ আর মানব মেধার অপূর্ব সম্মিলন ঘটেছে এই দেশে। মহান আল্লাহ যেন সম্পদ ঢেলে দিয়েছেন। দেশটি এসব সম্পদের সৎব্যবহারও করেছে, অপব্যবহারও কম করেনি। মাত্র কয়েকশ বছর আগে পৃথিবীর মানচিত্রে যার আত্মপ্রকাশ; কিন্তু বৈষয়িক উন্নতিতে যে পর্যায়ে পৌছে গেছে, অন্যদের সেখানে পৌছতে হাজার বছর লেগে যাবে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, চিকিৎসা, অর্থনীতি- সবকিছুতে যেমন উন্নতির চরম শিখরে, ঠিক তেমনি নৈতিক অবক্ষয়ের চরম রসাতলে। প্রাকৃতিক সৌন্দের্যের লীলাখেলা দেশটিকে করে তুলেছে মনোরম, আর মনুষ্য সৃষ্ট নির্মান দেশটিকে করে তুলে ধরেছে আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে।
এতক্ষণ ইউনাইটেড স্টেট অব আমেরিকার কথা বললাম; যার আদরের ডাকনাম ‘যুক্তরাষ্ট্র’। এই স্বপ্নের দেশে যাওয়ার জন্য যাদের মন আঁকুপাঁকু করে। মনের কোনে ধিকিধিকি জ্বলে ‘ইশ! যদি যেতে পারতাম এই সপ্নপুরীতে! নিজের চোখে দেখতে পারতাম পাশ্চাত্য সভ্যতার এই কেন্দ্রভূমিকে!”আপনার জন্য একটি সুসংবাদ। আপনাকে আর কষ্টকরে আমেরিকা যেতে হবে না। আপনি ঘরে বসেই অশরীরীভাবে ভ্রমন করবেন আমেরিকা আর পাবেন স্বশরীরে আমেরিকা ভ্রমনের চরমানন্দ। আপনি একবারেই আমেরিকাকে ততটাই চিনবেন, যতটা হয়ত শারীরিকভাবে দশবার আমেরিকা গেলেও চিনতেন না। কারণ, আপনার আমেরিকা সফর হবে সাইয়েদ আবুল হাসান আলী নদভি (র) ও সাইয়েদ রাবে হাসানি নদভির সাথে। তাদের মতো দুজন মহান ব্যক্তির সাথে আমেরিকা সফর করতে হলে আপনাকে পড়তে হবে ‘ আমেরিকায় দুই মাস’ বইটি। বইয়ের পাতায় পাতায় জীবন্ত হয়ে উঠেছে আমেরিকান সভ্যতা আর ফুটে উঠেছে পাশ্চাত্য সভ্যতার আলো, অন্ধকার। আপনি শারীরিকভাবে সফর করলে হয়ত আমেরিকাকে শুধু দেখতেন; চিনতেন না। কিন্তু এই বই আপনাকে আমেরিকা দেখাবেও, চেনাবেও।বইয়ের পাতায় পাতায় আমেরিকার নানা জায়গার দুর্লভ ছবি যেন আমেরিকা ভ্রমনকে আরো জীবন্ত করে তুলেছে। অতএব, দেরী না করে রুদ্ধশ্বাসে পড়ে ফেলুন- ‘আমেরিকায় দুই মাস’। বইটি দৃষ্টিনন্দন প্রচ্ছদ, দুর্লভ ছবি, উন্নত কাগজ ও ঝকঝকে ছাপায় প্রকাশিত হয়েছে মাকতাবাতুস সুন্নাহ থেকে।
Sale

ইউনিভার্সিটির ক্যান্টিনে

৳ 240.00 ৳ 132.00
লেখক : ড. মুহাম্মদ ইবনে আবদুর রহমান আরিফী
প্রকাশনী : হুদহুদ প্রকাশন
বিষয় : ইসলামে নারী

ড.মুহাম্মাদ বিন আব্দুর রহমান আরিফী রচিত ﺻﺮﺧﺔ ﻓﻲ ﻣﻄﻌﻢ ﺍﻟﺠﺎﻣﻌﺔ এর বংলা অনুবাদ “ইউনিভার্সিটির ক্যান্টিনে” In the Cantteen of the University নারী অধিকার ও পর্দা সম্পর্কে লেখা ।বইটিতে অনেক যত্নের সাথে তুলে ধরা হয়েছে পর্দার বিধানের আদ্যোপান্ত ও মা-বোনদের মুখাবয়ব ঢেকে রাখার আবশ্যিকতার বিষয়টি। পাশাপাশি তুলে ধরা হয়েছে ইসলামের এই বিষয়ে দিক-নির্দেশনাও। শব্দের বাহুল্য নয় অন্তরমুখী করেই লেখা হয়েছে এই বইটি – আমাদের সমাজেরই তরুণ-তরুণীর জন্য।

Sale

এহইয়াউস সুনান

৳ 380.00 ৳ 209.00
লেখক : ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর
প্রকাশনী : আস-সুন্নাহ পাবলিকেশন্স
বিষয় : শিরক, বিদয়াত ও কুসংস্কার, সুন্নাত ও শিষ্টাচার
পৃষ্ঠা: ৫৭৬
কাগজ: অফসেট হোয়াইট
কভার: হার্ড কভার
সাহাবী ইরবায ইবন সারিয়া (রাযি.) থেকে বর্ণিত,
তিনি বলেন, একবার রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাদের এমন ওয়ায করলেন, তাতে অন্তরসমূহ ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে পড়ল, চক্ষুগুলো অশ্রুসিক্ত হলো লোকদের। আমরা আরজ করলাম, ‘আল্লাহর রাসূল, মনে হচ্ছে এটি বিদায়ী নসীহত। তাই আমাদের কিছু উপদেশ দিন।’
.
নবীজি বললেন, ‘আমি তোমাদের তাকওয়ার উপদেশ দিচ্ছি; এবং (খলিফার) কথা শোনা ও তার আনুগত্য করার—যদিও একজন কৃতদাস তোমাদের নেতৃত্ব দেয়। নিঃসন্দেহে তোমাদের মধ্যে থেকে যে আমার পর জীবিত থাকবে, অচিরেই সে অনেক মতভেদ দেখতে পাবে। (সে সময়) তোমাদের উপর আবশ্যক হলো আমার সুন্নাত ও সুপথপ্রাপ্ত খোলাফায়ে রাশেদার সুন্নাতকে আঁকড়ে ধরা। তোমরা তা মাড়ির দাঁত দিয়ে কামড়ে ধরে থাকবে। দ্বীনের মাঝে নতুনত্ব থেকে তোমরা সাবধান থেকো। কেননা প্রত্যেক বিদআতই ভ্ৰষ্টতা।’
[সহিহ তারগিব ওয়াত তাহরিব, হাঃ ৩৭]
.
আজ আমরা এমন যুগে বাস করছি, যেখানে সুন্নাতের নামে নানান নব উদ্ভাবিত রীতি নীতির জয়জয়কার। প্রশ্ন হলো বিদআত কী? কীভাবে এর উৎপত্তি? বিদআতের কুফল, আমাদের সমাজে কী কী বিদআত প্রচলিত আছে, কীভাবে আমরা বিদআতকে হটিয়ে নবীজির সুন্নাহ প্রতিষ্ঠা করব, এমন সব অতিব জরুরী বিষয় নিয়েই বইটি রচিত।
Sale

কাজের মাঝে রবের খোঁজে

৳ 136.00 ৳ 106.00

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৮৮
কভার: পেপার ব্যাক

মেয়েদের জীবন নিয়ে আমাদের কিছু ছকেবাঁধা গতানুগতিক চিন্তা আছে। সেই চিন্তার বাইরে কিছু করতে গেলে বোনেরা বলে বসে, ‘কী দরকার? ফরজ ইবাদত করলেই তো জান্নাত!’ আবার কারও কারও চিন্তা একদম ছকের বাইরে। ফরয ইবাদত থেকে লক্ষ্য সরিয়ে নিয়ে হলেও যেন নফল ইবাদত করা চাই-ই চাই!
.
বক্ষ্যমাণ গ্রন্থে শাইখ আব্দুল মালিক কাসিম নেক আমলের ঝুলি সমৃদ্ধ করতে এমন সব অভিনব পন্থা বাতলে দিয়েছেন যে, এটা প্রত্যেক পাঠকের কাছে পৌঁছানো উচিত। মেয়েদের কাছে অন্তত এই বার্তাটুকু যাক—ইসলামে কোনো নারীই ‘অনাহূত’ নন। এখানে সব নারীর জন্যই নেক আমলের দুয়ার খোলা

Sale

কাসাসুল হাদিস (রাসুল ﷺ বর্ণিত শ্রেষ্ঠ কাহিনী)

৳ 798.00 ৳ 438.00

 

লেখক : শাইখ ড.মুস্তফা মুরাদ আযহারী
প্রকাশনী : মাকতাবাতুস সুন্নাহ (বাংলাবাজার)
বিষয় : ইসলামী সাহিত্য, গল্প-উপন্যাস এবং সফরনামা, সুন্নাত ও শিষ্টাচার, হাদিস বিষয়ক আলোচনা
ভাষান্তরঃ মুফতি আবুল ওয়াফা শামসুদ্দিন অাযহারী
(দাওরায়ে হাদিস ও তাখাসসুস ফিল ফিকহ (ইফতা)
জামিয়া আরাবিয়া ইমদাদুল উলুম ফরিদাবাদ,ঢাকা১২০৪।
অনার্স, ইসলামিক ল্য,আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয়,কায়রো,মিশর।)সম্পাদক: মুফতি খালিদ সাইফুল্লাহ কাসেমি
(ফাযেলে দারুল উলুম দেওবন্দ,ভারত।)পৃষ্ঠা ৪৫০
হার্ডকভার
৮০মি কালার কগজ
কাসাস। গল্প শুধু গল্প নয়। হৃদয় গলে, জীবন গড়ে এবং পথ দেখায় আনন্দের অফুরন্ত হায়াতের দিকে। এটি-ই সত্যিকারের কাসাস-গল্প। আর এই গল্প যদি হয় সহিহ হাদিসের শব্দে, বহুল নির্বাচিত ও বিশ্বনবি হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর মুখ-নিঃসৃত তাহলে পাঠক মাত্রই উপকৃত হবেন -এটি একেবারে সোজা কথায় বলা যায়।পৃথিবীর সূচনা থেকে মানুষ গল্প-কাহিনি বলতে ও শুনতে ভালবাসে। এর প্রধান কারণ হল, গল্প থেকে সহজে উপদেশ গ্রহণ ও বাস্তব জীবনে তা সহজে প্রয়োগ করা যায় । তাই প্রত্যেক জাতি, ধর্ম, সমাজ ও ইতিহাস-ঐতিহ্যকে নির্ভর করে নানা গল্প-কাহিনি সৃষ্টি হয়েছে। রোমান, পারসিক, হিন্দি ও আরবিসহ নানা সভ্যতার গল্পের সমৃদ্ধ বই রয়েছে। তেমনি ইসলামি সভ্যতার মাঝে রয়েছে গল্প-কাহিনির সম্ভার। এগুলো ব্যক্তি গঠনে, সমাজ বিনির্মাণে ও রাষ্ট্র গঠনে এবং পরিচালনায় বিশেষ ভূমিকা রাখতে সক্ষম। কিন্তু পরিতাপের বিষয় হল কালের আবর্তনে ও বিভ্রান্তির বেড়াজালে সেই গল্প-কাহিনি আজ কোন দিক-দর্শন দেয় না, বরং অন্ধকারের দিকে ঠেলে দেয়। কুসংস্কারের পাহাড় তৈরি করে, সত্যকে আড়াল করে এবং প্রকৃত আকিদা-বিশ্বাসে ভ্রান্তির প্রলেপ দেয়। রেফারেন্সহীন অসংখ্য বানোয়াট কেস্সা-কাহিনি এখন ওয়াজ-মাহফিল ও জুমার খুৎবায় সরব রয়েছে।মুসলিম সমাজের সমাজিক প্রেক্ষপটে ও বাংলা ভাষাভাষিদের জন্য বিশুদ্ধু হাদিসের বর্ণনায়, কাহিনি থেকে প্রয়োজনীয় শিক্ষা-শিষ্টাচার সংগ্রহ করে এবং প্রয়োজনীয় যথাযথ বিশ্লেষণ করে একটি গল্প-কাহিনির নির্ভরযোগ্য গ্রন্থ ইসলামি পাঠাগারে সংযোজন করা খুবই জরুরি ছিল। এমন পরিবেশ ও পরিস্থিতিতে “কাসাসুল হাদিস” গ্রন্থটি একটি সংস্কারমূলক ভূমিকা পালন করবে।বিশেষ করে দ্বিনের দাঈ, ওয়ায়েজ-বক্তা ও ইমাম-খতিবগণের ইসলামি আদর্শ প্রচারে বইটি সহায়ক ভূমিকা পালন করবে বলে আমি আশা করি।
Sale

কুরআন-সুন্নাহর আলোকে পোশাক, পর্দা ও দেহ-সজ্জা

৳ 280.00 ৳ 154.00
লেখক : ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর
প্রকাশনী : আস-সুন্নাহ পাবলিকেশন্স
বিষয় : সুন্নাত ও শিষ্টাচার
পৃষ্ঠা: ৩৬৮
কভার: হার্ড কভার
‘সতর’ এর সংজ্ঞা কী? এর পরিধি কতটুকু? আমরা কীভাবে বুঝবো?অত্যন্ত জটিল প্রশ্ন। যে প্রশ্নটি মানুষের ওপর ছেড়ে দিলে কখনও ঐক্যমত্য প্রতিষ্ঠিত হবে না। বরং আমরা দেখি যুগের সাথে সাথে সতর-লজ্জার সংজ্ঞা পাল্টাচ্ছে। বিংশ শতাব্দীতে মানুষ সতর এবং লজ্জা বলতে যা বুঝত, একবিংশ শতাব্দীতে এসে তা সম্পূর্ণ ১৮০ ডিগ্রী পাল্টে গেছে। নব্বই দশকের মুসলিমদের পোশাকের দৈর্ঘ্য, আর আজকের যুগের পোশাকের দৈন্যদশাই বলে দেয় মানুষের চিন্তাভাবনা এবং রুচিবোধ কতটা পরিবর্তনশীল।নিজেকে ঢেকে রাখা মানুষের সহজাত প্রবৃত্তির অংশ, রুচির বিষয়। কিন্তু শরীয়ত মানুষের পরিবর্তনশীল রুচির ওপর সবকিছু ছেড়ে দেয়নি। একে ইবাদতের অংশ বানিয়েছে, সাওয়াব লাভের উপায় করে দিয়েছে, এবং নির্ধারণ করেছে বেহায়াপনা ও অশ্লীলতা নামক ইবলিশের তীর হতে রক্ষাকবচ হিসেবে। আর তাই ইসলামে পোশাক পর্দার গুরুত্ব অপরিসীম। এ ব্যাপারে ইসলাম পূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করে।আমাদের সমাজে ইসলামি পোশাক পর্দা নিয়ে ভুল ধারণা যেমন প্রবল, সম্প্রতি এ নিয়ে অজ্ঞতাও বেড়ে গেছে বহুগুণ। একটি শ্রেণি দাঁড়িয়েছে যারা ইসলামি এই বিধানের অপপ্রয়োগ করছে, আরেকটি শ্রেণি দাঁড়িয়েছে যারা তাদের অপরাধের অজুহাত দিয়ে ইসলামের ফরজ বিধান ছুড়ে ফেলে দিচ্ছে।এমতাবস্থায় আমাদের সকলের দায়িত্ব এ ব্যাপারে ইসলামের সঠিক অবস্থান নিশ্চিত হওয়া। এর যৌক্তিকতা বোঝা এবং পালন করা। এ ক্ষেত্রে ইসলামে সঠিক পোশাক পর্দা ও দেহ-সজ্জার পূর্ণ বিবরণ জানতে বক্ষ্যমাণ গ্রন্থটি বেশ ফলপ্রসূ হবে আমাদের বিশ্বাস।
Sale

জীবন যদি হতো নারী সাহাবীর মত

৳ 186.00 ৳ 140.00

অনুবাদ: আব্দুল্লাহ মজুমদার
সম্পাদনা: উস্তায আবুল হাসানাত কাসেমী, উস্তায আব্দুল্লাহ মাহমুদ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১২৮ টি
কভার: পেপার ব্যাক

মক্কা নগরীতে একজন মহামানবের আবির্ভাব হলো, আসমান থেকে তার ওপর নেমে এলো এক ঐশী আলোক রেখা, দলে দলে মানুষ সেই মহামানবের ডাকে সমবেত হতে শুরু করল। একটি অত্যুজ্জ্বল আলোর পানে ছুটে আসতে লাগল তৃষিত সব প্রাণ। সেই তৃষ্ণার্ত, ক্ষুধিত প্রাণের মানুষগুলোর মাঝে, বিশাল একটি সংখ্যা ছিল নারীদের। নারী সাহাবিদের। রাযিয়াল্লাহু আনহুন্না। নবিজি যখন এক চরম, পরম ও মহাসত্যের দিকে মানুষকে আহ্বান করলেন, তখন অনেকের মতো চারদিক থেকে তৃষিত হৃদয়ে ছুটে এলো নারীদের দলও। তারাও বরণ করে নিল সত্যের পেয়ালা। যে অমৃত নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ধারণ করে এনেছেন হেরা পর্বত থেকে, সেই অমৃত পান করতে উদগ্রীব হয়ে পড়লেন তারাও।

সত্যের এই মিছিলে যোগদান তাদের জন্য সহজ ছিল না মোটেও। নবিজির ডাকে সাড়া দিতে গিয়ে তারা হয়েছেন ঘরহারা। হারিয়েছেন প্রিয় মানুষ, প্রিয় মুখ। সত্যকে নিজেদের জীবনে ধারণ করতে গিয়ে তারা হিজরত করেছেন। ছেড়ে এসেছেন প্রিয় জন্মভূমি। এমনকি হাসিমুখে মৃত্যুর মিছিলেও তারা অংশ নিয়েছেন। তবু যে অমৃত তারা পান করেছেন, যে রঙে রাঙিয়েছেন জীবন, যে সুরে আবগাহন করেছেন তনুমন, সেই অমৃত, সেই রং, সেই সুর থেকে তারা একচুল পরিমাণও বিচ্যুত হননি। এতটাই দৃঢ় আর অবিচল ছিল তাদের ঈমান।

ঐশী আলোর ঝলকানিতে আমাদের নারী সাহাবিগণ তাদের জীবনকে করেছেন আলোকময়, যে সুর আর লহরির মাঝে তারা হারিয়ে গেছেন, সত্যের পথে হাঁটতে তারা যে ত্যাগ-তিতিক্ষা, যে বিসর্জন দিয়েছেন, তা-ই উপজীব্য হয়ে উঠে এসেছে আমাদের ‘জীবন যদি হতো নারী সাহাবির মতো’ বইতে। সত্য আর সুন্দরের জন্য তাদের কুরবানি, তাদের আত্মত্যাগের গল্পগুলো থেকে আমরা খুঁজে নেব আমাদের জীবনের রসদ। রাঙিয়ে নেব আমাদের জীবনোধ্যায়। শুধরে নেব ভুল। জাগিয়ে তুলব বিস্মৃত অন্তর।

Sale

তওবা তো করতে চাই কিন্তু

৳ 240.00 ৳ 132.00
লেখক : মুহাম্মাদ সালেহ আল মুনাজ্জিদ
প্রকাশনী : হুদহুদ প্রকাশন
বিষয় : ইবাদত, আত্মশুদ্ধি ও অনুপ্রেরণা
Sale

দুআ কবুলের গল্পগুলো

৳ 250.00 ৳ 156.00
লেখক : রাজিব হাসান
প্রকাশনী : আযান প্রকাশনী
বিষয় : ইসলামী সাহিত্য, গল্প-উপন্যাস এবং সফরনামা, ইবাদত, আত্মশুদ্ধি ও অনুপ্রেরণা
অনুবাদ, সংগ্রহ ও সম্পাদনাঃ রাজিব হাসান
দু’আ একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদাহ। রাসূল ( ﷺ) ইরশাদ করেন,“দু’আ মূল ইবাদাহ”। [আবূ দাঊদ, তিরমিযী] দু’আ হলো মহান আল্লাহর নিকট কোনকিছু চাওয়া বা প্রার্থণা করা। যিনি আমাদের সুন্দরতম অবয়বে সৃষ্টি করেছেন, পরীক্ষার নিমিত্তে দুনিয়ায় প্রেরণ করেছেন, কৃত গুনাহ মাফের জন্য কিংবা যে কোন প্রকারের সাহায্য-সহযোগিতার জন্য দু’আ শিখিয়ে দিয়েছেন। যুগে যুগে মানবতার মুক্তির দূত নাবী রাসূলগণ যে কোন প্রয়োজনে স্বীয় রবের কাছে দু’আ করতেন। যে কোন মুহুর্তে, যে কোন প্রয়োজনে আল্লাহর কাছে কোনকিছু চাইতে দ্বিধাবোধ করতেন না।সাহাবাগণ দু’আ করতেন, চাইতেন, আল্লাহর কাছে বেশী বেশী ফিক্বির জারি রাখতেন। যে কোন সিদ্ধান্ত নিতে দু’আ, যেকোন বিপদ-আপদে দু’আ, যে কোন সমস্যায় দু’আ, সুখের সময়ও দু’আ। দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ কামনায় দু’আ। তাদের যাবতীয় ফরিয়াদ ছিল আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা’আলার কাছে, শুধুমাত্র তারই কাছে। রদ্বিয়াল্লাহু তা’আলা ‘আনহুম ওয়া আজমাঈন।আমাদের বর্তমান প্রেক্ষাপট খানিকটা ভিন্ন। অল্প কিছু মানুষ ছাড়া উম্মতের বড় একটা অংশ দু’আর দেখানো পথ থেকে অনেক দূরে। উম্মতের এই বড় অংশটা আবার কয়েক ভাগে বিভক্ত। একভাগ দু’আ করেনা বা করতে চায় না, একভাগ স্বীয় রব্বকে ভুলে সৃষ্টিকূলের কাছে মাথা ঠুকে, আর আরেকভাগ দু’আ করতে চাইলেও আত্ন-বিশ্বাস আর তাওয়াক্কুলের অভাবে কিংবা পদ্ধতি না জানার কারণে নিজে দু’আ করা থেকে মাহরুম থাকে।আল্লাহর রাসূল (ﷺ) বলেন, “সবচাইতে হতভাগা হল সেই ব্যাক্তি যে দু’আ করে না”[সহিহ আল জামি’]আমাদের কোনকিছুর প্রয়োজন হলে কিংবা কোন সমস্যায় পড়লে সর্বপ্রথমে আমরা সৃর্ষ্টির কাছে ধরনা দেই। যখন একে একে সবগুলো দরজা বন্ধ হয়ে যায়, ঠিক তখন আল্লাহর দিকে ফিরে এসে ফিক্বির জারী করি। অনেক সময় দু’আর হালই ছেড়ে দেই, দু’আ করতেই চাই না, হতাশায় ভুগি।সকল প্রয়োজনে সর্বাগ্রে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলার কাছে সাহায্য চাওয়ার মানুষের বড্ড অভাব। সর্বশক্তিমান আল্লাহ্‌কে বাদ দিয়ে দুর্বল সৃষ্টিকূলের দিকে ধাবিত হওয়া মানুষের সংখ্যাই বেশী। অথচ তিনিই আল্লাহ্‌ যিনি আমাদের দু’আ কবুল করার ওয়াদা দিয়েছেন। বেশী বেশী দু’আ করতে বলেছেন। প্রতিটি বিষয়ে হউক তা ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র, হউক বৃহদাকার একমাত্র আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা’আলাকেই সর্বদা ডাকতে হবে আমাদের, তার কাছেই চাইতে হবে সবকিছু। কোন কিছুর জন্য যে কোন পরিস্থিতিতে দু’আ করলে আল্লাহ রব্বুল ইজ্জত খুশি হন।শাইত্বন আমাদের প্রতিনিয়ত ধোঁকা দেয়। আমাদের বিশ্বাসের খুঁটিতে নাড়া দেয়। আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা কী আমার দু’আ কবুল করবেন? তিনি কী শুনবেন আমার মত এই নগন্য-জঘন্য এক সাধারণ মানুষের কথা? কত মানুষই তো দু’আ করে, তাদের দু’আ কী কবুল হয় ? তাদের তো কোন পরিবর্তন, পরিবর্ধন হয় না? এতদিন ধরে আল্লাহকে ডাকছি তবুও কোন ফল পাই না – নানা-রকমের শাইত্বনিক ওয়াস-ওয়াসা আমাদের প্রশ্নবিদ্ধ করে প্রতিনিয়ত। এটাই মুলতঃ শাইত্বনের ধোঁকা। আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা’আলার দয়া ও রহমত থেকে নিরাশ করার হাতছানি, কানাকানি, পেরেশানী ইত্যাদি শাইত্বনই করে থাকে। কেননা আল্লাহকে ডাকলে, আল্লাহকে স্মরণ করলে, আল্লাহর উপর ভরসা করলে সবচেয়ে বড় ক্ষতি তো তারই। একদম সহজ সমীকরণ।আমাদের আশেপাশের সাধারণ, অতি সাধারণ মানুষেরা জানে না কিভাবে দু’আ করতে হয়। কিভাবে ডাকলে আল্লাহ্‌ শুনেন, দু’আ কবুল করেন। অন্যদিকে অনেক মানুষ আছে যারা আল্লাহকে ডেকে সাড়া পেয়েছে, জীবনের মোড় ঘুরে গেছে, চরম হতাশা ও বিপদের মুহুর্তে এক আল্লাহ্‌র উপর তাওয়াক্কুল করে ফল পেয়েছে – এরকম মানুষের গল্প ভুড়িভুড়ি। সাধারণ মানুষের দু’আ কবুলের বিভিন্ন ঘটনার সম্ভার নিয়ে আমাদের এবারের আয়োজন বই “দু’আ কবুলের গল্পগুলো”
Sale

পরকাল-LIFE AFTER LIFE

৳ 560.00 ৳ 280.00
লেখক : ড. মুহাম্মদ ইবনে আবদুর রহমান আরিফী
প্রকাশনী : হুদহুদ প্রকাশন
বিষয় : পরকাল ও জান্নাত-জাহান্নাম
মৃত্যুর পর আমাদের গন্তব্য কোথায়? আমরা কবরে যাব, অতঃপর পুনরুত্থিত হব, হাশর কায়েম হবে, আল্লাহর কাছে আমাদের কৃতকর্মের জবাব দিতে হবে… ইত্যাদি। কিন্তু জ্ঞানশূন্য বস্তুবাদী নাস্তিক সম্প্রদায়ের অপযুক্তির বেড়াজালে আবদ্ধ হয়ে কেউ কেউ পরকালের ব্যাপারে সংশয়ে পতিত হচ্ছেন। অনেকটা এমন যে, বিশ্বাস করি… বিশ্বাস করি না। এমন অসংখ্য যুবক রয়েছে যারা এ মরণ ব্যধিতে আক্রান্ত। ফেতনা ফাসাদ এবং দ্বীন নিয়ে অবহেলার এ যুগে শত্রুদের আক্রমণের শিকার হয়ে অগণিত মানুষ আজ এ কঠিন ব্যাথায় জর্জরিত। পরকাল সম্পর্কে আমাদের মাঝে সঠিক জ্ঞান না থাকাটা এই সংশয়ের পেছনে একটা বড় ভূমিকা পালন করে। যার ফলে বস্তুবাদী নাস্তিক সম্প্রদায় বিভিন্ন অপযুক্তি প্রদর্শনের মাধ্যমে সাধারণ মুসলিমদেরকে বিভ্রান্ত করতে সক্ষম হয়। অথচ পরকাল শুধুমাত্র একটা ধারণা নয়! এর সাম্যক বাস্তবতার পেছনে অসংখ্য যৌক্তিক এবং অগণিত বর্ণনাভিত্তিক প্রমাণ রয়েছে। বক্ষ্যমান সচিত্র গ্রন্থটি পাঠককে পরকাল বিষয়ে পরিপূর্ণ ধারণা প্রদানে সক্ষম হবে ইনশাআল্লাহ।
Sale

প্রত্যাবর্তন

৳ 300.00 ৳ 210.00
বিষয় : অন্ধকার থেকে আলোতে
মুসলিমের ঘরে জন্ম নিয়েও আমি হয়ে পড়ি একজন নামকাওয়াস্তে, টাইটেলধারী, নাম সর্বস্ব মুসলমান। সেই ঘুটঘুটে অন্ধকারের মধ্যে আমি পথ চলতে থাকি। আমার চারপাশ ঘন কালো অন্ধকারে ঢাকা। তবুও, আমার মনে হয় আমিই ঠিক পথে আছি। বাকিসব ভুল, মিথ্যা…এরকম অন্ধকারের মধ্যে পথ চলতে চলতে একদিন আমার ঘুম ভাঙে। আমি বুঝতে পারি আমি ঠিক পথে নেই। আমার গন্তব্য যেটা হওয়া উচিত ছিলো, আমি সেই পথ থেকে বিচ্যুত। এতোদিন যেটাকে আমি আলো ভেবে এসেছি, সেটা আসলে আলেয়া। হাওয়া আসলেই নিভে যাবে। যেটাকে আমি জীবন মনে করেছি, সেটা আসলে নরক। এক বিশাল পাপের সাগরে হাঁবুডুবু খেতে খেতে আমি ভুলতেই বসেছি যে, বাঁচতে হলে আমাকে তীরে উঠতে হবে। আমি সেই তীরের সন্ধান না করে উল্টো অহংকার আর দর্পের জন্য পুরোপুরিই ডুবতে বসেছিলাম।আমি চেতনা ফিরে পাই। চোখ মেলে সামনে তাকাই। আমি শুনতে পাই, অদূর থেকে, খুব করুণ আর মায়াভরা স্পর্শে কেউ একজন আমাকে ডাকছে। এই ডাক আমার খুব পরিচিত। আমার খুব চেনা। মনে হচ্ছে, কতো সহস্রবার আমি এই ডাক শুনেছি। কিন্তু কখনোই এই ডাক আমার কাছে এতো আবেদনময়ী মনে হয়নি। কিন্তু, আজকে কেনো যেন এই ডাকটাকে আমার খুব আপন মনে হচ্ছে। চির পরিচিত।
আমি অনুভব করলাম, এই ডাক আমার মধ্যে শিহরণ জাগিয়ে যাচ্ছে। আমার বুকের ভেতর, আমার মনের জগতে তোলপাড় শুরু হয়েছে। কে ডাকে? কে ডাকে আমায়? আমি ছটফট করতে থাকি। আমি শুনতে পাই, তখনও এক মধুর সুরে, এক নৈসর্গিক ঝঙ্কারে কেউ একজন আমায় ডেকে চলেছে…‘হাই-আল- আস-সালাহহহ…’ ‘হাই-আল-আল ফালাহহহহ…’আমাকে কল্যাণের পথে কেউ একজন ডেকে চলেছে। আমি সম্বিৎ ফিরে পাই। বুঝতে পারি, এ আমার চিরচেনা সুর। শৈশবের প্রথম কোলাহল। কৈশরের প্রথম ইবাদাতের ডাক… আর আমার যৌবন? হায়! আর একটু হলেই ডুবতে বসেছিলাম…এভাবেই, মুসলিম হয়েও কতো হাজার হাজার মুসলিম যুবক-যুবতী আজ নিজেদের পথ ভুলে গেছে।
হারানো সেই পথ থেকে কেউ ফিরে আসে, কেউ হারিয়ে যায়। যারা ফিরে আসে, কেমন হয় তাদের গল্পগুলো? জাহিলিয়্যাত থেকে দ্বীনে ফিরে আসা সেই ভাই-বোনদের গল্পগুলো নিয়েই সংকলন হয়েছে- “প্রত্যাবর্তন”।বইটি সম্পাদনা করেছেন ‘প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ’ এবং আরজ আলী সমীপে বইয়ের লেখক শ্রদ্ধেয় আরিফ আজাদ ভাই।
বইতে ‘দ্বীনে ফেরা’র গল্প আছে যাদেরঃ
১। Mohammed Touaha Akbar – উল্টো নির্ণয় বইয়ের লেখক
২। ওমর আল জাবির – ‘পড়ো’ সিরিজের লেখক
৩। S M Nahid Hasan – ‘আল কুরআনের ভাষা’ বইয়ের লেখক এবং আল-কুরআনের শব্দসমূহ এর সম্পাদক
৪। Rehnuma Bint Anis – ‘নট ফর সেল’, বিয়ে’, জীবনের সহজ পাঠ’ ‘ওপারে’ বইয়ের লেখিকা
৫। Shamsul Arefin Shakti – ডাবল স্ট্যান্ডার্ড এবং কষ্টিপাথর বইয়ের লেখক
৬। আরিফুল ইসলাম – আর্গুমেন্টস অফ আরজু এবং প্রদীপ্ত কুটির বইয়ের লেখক
৭। রাফান আহমেদ – বিশ্বাসের যৌক্তিকতা বইয়ের লেখক
৮। Muhammad Mushfiqur Rahman Minar – অন্ধকার থেকে আলোতে বইয়ের লেখক
৯। Ashraful Alam – অ্যান্টিডোট বইয়ের লেখক
১০। Jakaria Masud – ‘সংবিৎ’ এবং ভ্রান্তিবিলাস বইয়ের লেখক
১১। মাসুদ শরীফ – বিশিষ্ট অনুবাদক ও সম্পাদক। তার অনূদিত কিছু বই: উমার ইবন আল-খাত্তাব রা. ১ম খণ্ড, মনের ওপর লাগাম
আছে ক্যামব্রিজ ইউনিভার্সিটিতে মলিকুলার বায়োলজি নিয়ে পিএইচডি রত শ্রদ্ধেয় Saifur Rahman ভাইয়ের গল্প, আছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ এর Abdullah Saeed Khan ভাইয়ের গল্প, আছে রাজশাহী মেডিকেল কলেজের Nishat Tammim আপুর গল্প, বুয়েটের Kabir Anwar ভাই, সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের Ruhul Amin ভাই, খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের Shihab Ahmed Tuhin ভাই, অষ্ট্রেলিয়া প্রবাসী Mahmudur Rahman ভাই, Armaan Ibn Solaiman ভাই, বুটেক্সের Faisal Bin Yousuf ভাই এবং কলকাতার কিছু রিভার্টেড ভাইদের ইসলামে আসার গল্প নিয়েই লেখা। আশা করছি বইটি উঠতি জেনারেশন, যারা দ্বীন থেকে দূরে আছে, তাদের জন্য অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে, ইন শা আল্লাহ্‌। বইটির শার’ঈ সম্পদনা করছেন মুহতারাম Ali Hasan Osama
Sale

বেলা ফুরাবার আগে

৳ 287.00 ৳ 200.00
লেখক : আরিফ আজাদ
প্রকাশনী : সমকালীন প্রকাশন
কভার: পেপারব্যাক

বেলা ফুরাবার আগে…

নিজেকে আবিষ্কারের একটি আয়না। যে ভুল আর ভ্রান্তির মোহে, অন্ধকারের যে অলিগলিতে আমাদের এতোদিনকার পদচারণা, তার বিপরীতে জীবনের নতুন অধ্যায়ে নিজের নাম লিখিয়ে নিতে একটি সহায়ক গ্রন্থ এই বই, ইন শা আল্লাহ।

বইটি কাদের জন্য?

এই বই তাদের জন্য যারা আমার কাছে ‘সাজিদ হতে চাই’ বলে বিভিন্ন সময়ে আবদার করেন। পরামর্শের আবদার, পথনির্দেশের আবদার। সাজিদ হতে হলে, আমি মনে করি, সবার আগে একটা অন্ধকার বৃত্ত থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে। সাজিদ যেভাবে অন্ধকারের কৃষ্ণগহ্বর ছেড়ে, আলোর ফোয়ারাতে তার জীবন রাঙিয়েছে, সেরকম ঝলমলে আলোর মাঝে নিজেকে মেলে ধরাই ‘সাজিদ’ হবার প্রথম এবং প্রধান শর্ত। কেবল ভারি ভারি বই আর যুক্তির পশরা সাজিয়ে প্রতিপক্ষকে পরাস্ত করার মধ্যেই ‘সাজিদ’ হয়ে উঠার সার্থকতা নেই। সাজিদ হয়ে উঠার সার্থকতা তখনই যখন সাজিদ যে আদর্শের আলো প্রাণে প্রাণে ছড়িয়ে দিতে চায়, তা আমরা জীবনে মেখে নিতে পারবো।

বইটি কাদের জন্য?

ভুলোমনা একঝাঁক তারুণ্যের জন্য এই বই। যে ভুলের গহ্বরে তারা জীবনের বসন্তগুলোকে পার করছে, সেই ভুল থেকে তাদের ‘বেলা ফুরাবার আগে’ টেনে তুলতেই এই বইটার অবতারণা।

এর বাইরেও থাকছেঃ
‘চোখের রোগ’, ‘বলো, সুখ কোথা পাই’, ‘বেলা ফুরাবার আগে’, ‘মেঘের কোলে রোদ হেসেছে’, ‘যুদ্ধ মানে শত্রু শত্রু খেলা’, ‘চলে যাওয়া মানে প্রস্থান নয়’, ‘বসন্ত এসে গেছে’, ‘তুলি দুই হাত করি মোনাজাত’, ‘চলো বদলাই’ নামের আঠারোটি ভিন্ন ভিন্ন বিষয়ে, ভিন্ন ভিন্ন অধ্যায়।

Sale

মহাপ্রলয়

৳ 500.00 ৳ 250.00
লেখক : ড. মুহাম্মদ ইবনে আবদুর রহমান আরিফী
প্রকাশনী : হুদহুদ প্রকাশন
বিষয় : পরকাল ও জান্নাত-জাহান্নাম
অনুবাদ: উমাইর লুৎফর রহমান
পৃষ্ঠা: ২৯২ (রঙিন ছবি)
কিয়ামত কবে হবে—সেই দিন তারিখ কাউকে জানানো হয়নি। এই ইলম আল্লাহ নিজের কাছে রেখেছেন। ইসরাফিল ফেরেশতা শিঙ্গায় ফুঁক দেবার জন্য অপেক্ষায় আছে, যে ফুঁৎকারে ধ্বংস হয়ে যাবে সব কিছু, আবার হবে পুনরুত্থান, একত্র হবে হাশরের ময়দানে, দাঁড়াবে ন্যায় বিচারের কাঠগড়ায়। প্রতিটি বিষয়ের সূক্ষ্ম হিসাব হবে। আমলের তালিকায় অণু পরিমাণ কাজও বাদ যাবে না। আমাদের কল্পনার চেয়েও ভয়াবহ কিয়ামতের দিন।
.
তবে কিয়ামতের নিদর্শনগুলো কী কী তা আমাদের নবিজি ﷺ জানিয়ে গেছেন। এই নিদর্শনগুলোকে ছোট-বড় দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে। ছোট নিদর্শনের মধ্যে যেমন, স্বামী অনুগত হবে স্ত্রীর, সন্তান মায়ের অবাধ্যতা করবে, বাবাকে দূরে সরিয়ে দেবে এবং বন্ধুকে নিকটবর্তী বানাবে। গায়িকা, নর্তকী ও গান-বাদ্যর ব্যাপক প্রসার ঘটবে। মদপানকে নানান নামে হালাল সাব্যস্ত করবে। উম্মতের পরবর্তী লোকেরা পূর্ববর্তী লোকদের অভিশাপ দিবে। লজ্জা-শরম হারিয়ে যাবে। প্রকাশ্যে যিনা হবে। সমকামিতার বিস্তার ঘটবে। আর বড় নিদর্শনসমূহের ভিতর, ইমাম মাহদীর আবির্ভাব, দাজ্জালের প্রকাশ, ঈসা আ.-এর অবতরণ। তারপর…
.
কিয়ামত বিষয়ে অনেক বই পাওয়া যায়। যেহেতু কিয়ামত ভবিষ্যৎ সংক্রান্ত জ্ঞান, আর ভবিষ্যৎ জানার ব্যাপারে মানুষের আগ্রহ বেশি, তাই এই আবেগকে কাজে লাগিয়ে অনেকেই নবিজির নামে মিথ্যা হাদীসও রচনা করেছে। এছাড়া এই বিষয়ে বহু দুর্বল বর্ণনাও ছড়িয়ে আছে বইপত্রে। এই দিক থেকে আরবের বিখ্যাত আলিম ড. আব্দুর রহমান আরিফীর রচিত ‘মহাপ্রলয়’ বইটি অনন্য। অনন্য এই কারণে যে, এতে শুধুমাত্র বিশুদ্ধ বর্ণনাগুলোই জায়গা পেয়েছে, এবং অতীতে প্রকাশিত কিয়ামতের আলামতগুলো রঙিন ছবিসহ যুক্ত আছে। ছোট-বড় নিদর্শনগুলো লেখা হয়েছে স্বতন্ত্র শিরোনামে। ফলে ষোল থেকে ষাটোর্ধ যে কোনো বয়সী পাঠক সহজেই বুঝতে পারবে এবং স্মরণ রাখতে পারবে।
Sale

রাহে বেলায়েত

৳ 420.00 ৳ 230.00
লেখক : ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর
প্রকাশনী : আস-সুন্নাহ পাবলিকেশন্স
বিষয় : নামায ও দোয়া-দরুদ
আল্লাহ কুরআনে বলেন, “তোমরা আমার যিকির কর। আমি তোমাদের যিকির করব”। [বাকারাঃ ১৫২]আল্লাহর এই যিকির বিশ্বাসীদের জীবনের অন্যতম সম্পদ। আল্লাহর সন্তুষ্টি ও সাওয়াব অর্জনের অন্যতম পথ। মহাশত্রু শয়তানের কুমন্ত্রণা থেকে হৃদয়কে রক্ষা করার অন্যতম উপায় আল্লাহর যিকির। চিন্তা, উৎকণ্ঠা ও হতাশা থেকে মুক্তি পাওয়ার অন্যতম উপায় আল্লাহর যিকির। ভারাক্রান্ত মানব হৃদয়কে হিংসা, বিদ্বেষ, বিরক্তি, অস্থিরতা ইত্যাদির মহাভার থেকে মুক্ত করার একমাত্র উপায় আল্লাহর যিকির। আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস, আখিরাতের কামনা ও তাকওয়াকে হৃদয়ে সঞ্চারিত, সঞ্জীবিত, দৃঢ়তর ও স্থায়ী করার অন্যতম উপায় আল্লাহর যিকির। এর মাধ্যমে পার্থিব লোভ ও ভন্ডামী থেকে হৃদয়কে মুক্ত করা যায়। জাগতিক ভয়ভীতি ও লোভলালসা তুচ্ছ করে আল্লাহর পথে নিজেকে বিলিয়ে দিতে, তাঁর কালেমাকে উচ্চ করতে মুমিনের অন্যতম বাহন আল্লাহর যিকির।অথচ এই মহামূল্যবান যিকিরের অপপ্রয়োগ হচ্ছে । যিকিরের নামে, দু’আর নামে, দরুদের নামে ও ওযীফার নামে বিভিন্ন বুজুর্গের বানানো শব্দ, নিয়ম, পদ্ধতি ইত্যাদি অতি যত্ন সহকারে পালিত হচ্ছে কিন্তু রাসূল (সঃ) এর পদ্ধতি অবহেলিত রয়ে যাচ্ছে। তাই রাসূলের (সঃ) দেখানো পথে আল্লাহ তায়ালার যিকিরের মাধ্যমে যিকিরের মূল উদ্দেশ্য আর ফায়দা যাতে হাসিল করা যায় সেই উদ্দেশ্যেই বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন ড. খন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রচনা করেছেন এই মহামূল্যবান কিতাব ‘রাহে বেলায়াত’। বইটি প্রকাশিত হয়েছে আস সুন্নাহ পাবলিকেশন্স থেকে।
Sale

শিকড়ের সন্ধানে

৳ 400.00 ৳ 280.00
লেখক : হামিদা মুবাশ্বেরা
প্রকাশনী : সমকালীন প্রকাশন
বিষয় : ইসলামি ইতিহাস ও ঐতিহ্য, ইসলামী জ্ঞান চর্চা
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ২৯৬ টি
কভার: পেপার ব্যাক
‘Know Thyself’ সক্রেটিসের বিখ্যাত একটি উক্তি। সক্রেটিস নিজেকে জানতে বলেছেন। নিজেকে জানতে পারার মধ্যেই সক্রেটিস মানবজীবনের সার্থকতা খুঁজেছেন। সক্রেটিসের এই দর্শন আদতে কানায় কানায় সত্য। মানবজীবন ঠিক তখনই পরিপূর্ণভাবে বিকাশ লাভ করে যখন মানুষ নিজেকে জানতে শুরু করে ও আত্মপরিচয়ের ব্যাপারে প্রলুব্ধ হয়। নিজেকে উদঘাটন করতে পারলেই ঠিক করে ফেলা যায় জীবনের দর্শন। জীবনের গন্তব্য, উদ্দেশ্য এবং রদবদল, সবকিছু সহজ হয়ে যায় যদি নিজেকে জানা যায়। যদি একেবারে শেকড়ে ফিরে চেনা যায় নিজের প্রকৃতি।‘মুসলমান’ হিসেবে এই ব্যাপারটা আরও বিশদভাবে সত্য। আমরা যদি নিজেদের আত্মপরিচয়, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা প্রদত্ত গৌরবময় মর্যাদা ‘মুসলমানিত্বের’ সঠিক মর্মার্থই বুঝতে না পারি, তাহলে কীভাবে নির্ধারণ করব নিজেদের গন্তব্য এবং উদ্দেশ্য? কেন-ই বা আমরা মুসলিম, অন্যরা কেন নয়, কীভাবে আমরা মুসলিম হলাম, আমাদের ঠিক আগে, আল্লাহর একাত্মবাদে যারা আসীন ছিলেন, তারা কোন পরিচয়ে ধন্য হয়েছেন, তাদের সাথে আমাদের যোগসাজশ কোথায়? সাদৃশ্য আর বৈসাদৃশ্য কী কী—এসব জানতে পারাই হলো আমাদের আত্মপরিচয় সন্ধানের প্রথম সবক।‘শেকড়ের সন্ধানে’ বইতে লেখিকা হামিদা মুবাশ্বরা ঠিক আমাদের জন্য এই কাজটিই করেছেন। তিনি আমাদের নিয়ে গেছেন অতীতে—একেবারে গোড়ায়, যেখান থেকে আমাদের আত্মপরিচিতির শুরু। কত হাওয়া বদল করে, কত বাঁক পেরিয়ে, কত সময় পার করে, কত ঘাত-প্রতিঘাতে আমরা আমাদের শেষ পরিচয়, ‘মুসলমান’—এ এসে ঠেকেছি, সেই মহাযাত্রার রহস্যপানে লেখিকা আমাদের ভ্রমণ করিয়েছেন। লেখিকা কেবল আমাদের সোর্স থেকে আমাদের ক্ষুধা, তৃষ্ণা নিবারণ করাননি। তিনি আমাদের কখনো তাওরাতে, কখনো ইঞ্জিলে, আবার কখনো কুরআনে ডুব দিইয়েছেন। প্রসঙ্গক্রমে ঢুকে পড়েছেন বিশাল বিস্তৃত হাদিসশাস্ত্রের ভেতরেও। লেখিকার অণ্বেষণ প্রক্রিয়া, জানার তীব্র আকাঙ্খা, সত্যকে আজলা ভরে তুলে আনার ঢঙ বেশ আশাজাগানিয়া। এ রকম একাডেমিক একটা বিষয়কে তিনি কীভাবে সাধারণ মানুষদের জন্যও উপযোগী করে ফেললেন তা-ও বিস্ময় জাগানিয়া!
Sale

শেষ বিকেলের রোদ্দুর

৳ 267.00 ৳ 186.00
বিষয় : ইসলামী সাহিত্য, গল্প-উপন্যাস এবং সফরনামা, ইসলামে নারী
লেখক : রৌদ্রময়ীরা
সম্পাদনা : সালমান মোহাম্মদ
শরয়ি সম্পাদনা : সাইফুল্লাহ আল মাহমুদ
পৃষ্ঠা : ১৯২
কুরআন কারিমের সৌভাগ্যবান পাঠকমাত্রই অবগত আছেন যে, কোনো দর্শন এবং চিন্তা-চেতনা মানুষের দোরগোড়ায় এবং তাদের হৃদয়ের গভীরে পৌঁছানোর সবচেয়ে সফল ও প্রজ্ঞাপূর্ণ মাধ্যম হলো গল্প। আর সেসব গল্প যখন বিবৃত হয় কুরআন-হাদিসের মিশেলে তখন সেগুলো হয়ে ওঠে আরও অনুসরণীয়, শিক্ষণীয় এবং মহিমান্বিত।‘শেষ বিকেলের রোদ্দুর’ রৌদ্রময়ীদের এমনই একটি জীবনঘনিষ্ঠ গল্পভাষ্য, যেখানে কুরআন-হাদিসের মিশেলে আমাদের জীবনের বাস্তব গল্পগুলোই ঝিলমিলিয়ে ওঠেছে।গল্পগুলোর বুনন এতটা সুঠাম ও বস্তুনিষ্ঠ যে, গল্পের চরিত্র ও জীবনপরিক্রমা যেন আপনি নিজের জীবনে প্রত্যক্ষ করছেন। গল্পগুলোর আরেকটি সৌন্দর্য হলো, সেগুলো বিবৃত হয়েছে নানা আঙ্গিকে, বিভিন্ন নামে ও শিরোনামে।
Sale

সমকালীন প্রকাশনের নতুন ৪ টি বইয়ের প্রি-অর্ডার

৳ 901.00 ৳ 630.00
যে তৃষ্ণা জ্ঞানের, যে তৃষ্ণা বিশুদ্ধ ইসলামি সাহিত্যের তা কি কখনো মেটে ভিন্নতর কিছুতে? যেখানে রয়েছে হিদায়াতের বাণী, আলোর পথে ফিরে আসার বিনীত আহ্বান, সেখানে জঞ্জালে ভরা মিথ্যে কথার দুনিয়াবি সাহিত্য মুখ থুবড়ে পড়ে থাকে পাঠকের সামনে। তৃষিত হৃদয় নিয়ে হাজারো বইপ্রেমী অপেক্ষা করেছে দিনের পর দিন, মাসের পর মাস। তাদের এ কষ্টময় প্রহরগুলো বৃথা যাবার নয়। কষ্টের কালো মেঘ সরে গিয়ে, ওই তো মৃদু আলোর ঝলকানি দেখা যাচ্ছে আকাশের বুকে!
.
আলহামদুলিল্লাহ, দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে সমকালীন প্রকাশন এবার হাজির হয়েছে, হাজির হয়েছে তার আগতপ্রায় বইগুলো পাঠকদের মাঝে ছড়িয়ে দিতে। এতদিন ধরে যারা অপেক্ষা করে গিয়েছেন, আজ তাদের খুশির দিন।
.
সমকালীন প্রকাশনের নতুন ৪ টি বইয়ের প্রি-অর্ডার আজ ২৪ অক্টোবর, ২০২০ থেকে শুরু হয়ে চলবে আগামী ৩১ অক্টোবর, ২০২০ পর্যন্ত।
.
৪ টি বইয়ের বিস্তারিত :
.
(১) তিনিই আমার রব (দ্বিতীয় খণ্ড) —
লেখক : শাইখ ড. রাতিব আন-নাবুলুসি;
ভাষান্তর : শাইখ মুহাম্মাদ সাইফুল্লাহ মুরতাযা;
পৃষ্ঠা সংখ্যা : ১৬৮;
প্রচ্ছদ মূল্য : ২৬০ টাকা।
.
(২) তিনিই আমার প্রাণের নবি ﷺ’ —
লেখক: শাইখ আলি জাবির আল-ফাইফি;
ভাষান্তর : শাইখ আব্দুল্লাহিল মা’মুন;
পৃষ্ঠা সংখ্যা : ১২০;
প্রচ্ছদ মূল্য : ১৮৬ টাকা।
.
(৩) পড়ো-২—
লেখক : ওমর আল-জাবির;
পৃষ্ঠা সংখ্যা : ১৮৪;
প্রচ্ছদ মূল্য : ২৮০ টাকা।
.
(৪) হাইয়া আলাস সালাহ—
লেখক : শাইখ আবু আব্দিল আজিজ মুনির আল-জাযাইরি;
ভাষান্তর : শাইখ মুহাম্মাদ সাইফুল্লাহ মুরতাযা;
পৃষ্ঠা সংখ্যা : ১১২;
প্রচ্ছদ মূল্য : ১৭৫ টাকা।
.
প্রি-অর্ডার উপলক্ষে ৪ টি বই পাচ্ছেন ৩০% ছাড়ে মাত্র ৬৩০ টাকায়।
সাথে থাকছে সারাদেশে ফ্রি ডেলিভারি।
Sale

সিরাতুন নবি সা. (১-৩ খণ্ড পূর্ণ)

৳ 1,800.00 ৳ 1,170.00
লেখক : ড. আলী মুহাম্মদ আস-সাল্লাবী
প্রকাশনী : কালান্তর প্রকাশনী
বিষয় : সীরাতে রাসূল (সা.)
অনুবাদক টিম : নুরুযযামান নাহিদ, আবদুর রশীদ তারাপাশী, মহিউদ্দিন কাসেমী
সম্পাদনা টিম : আবদুর রশীদ তারাপাশী, আহসান ইলিয়াস, সালমান মোহাম্মদ ,আবুল কালাম আজাদপৃষ্ঠাসংখ্যা: ১৬০০ (ফাইনাল সেটিংয়ে অল্প বেশকম হতে পারে)
কাগজ: ৮০ গ্রাম অফহোয়াইট, হার্ডবোর্ড বাঁধাই।আমাদের প্রিয়নবি মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম; জীবনের শুদ্ধতার মাপকাঠি নবিজির আদর্শ। তাই তাঁর জীবনী বা সিরাত অধ্যয়ন করা প্রত্যেক মুসলমানের জন্য অতি জরুরি। রাসুলের জীবনী অধ্যয়ন করলে একজন মুসলমান তাঁর জীবনের সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম বিষয় তথা জন্ম থেকে মৃত্যু—শৈশবকাল, যৌবনকাল, দাওয়াত, রাজনীতি, রাষ্ট্র পরিচালনা, জিহাদসহ জীবনের সব বিষয়ের বিস্তারিত পথনির্দেশনা পাবে।বিশ্বখ্যাত ইতিহাস ও সিরাত গবেষক ড. আলি মুহাম্মাদ সাল্লাবি বিশুদ্ধ বর্ণনার আলোকে নবিজির বিস্তারিত জীবনী রচনা করেছেন। বইটির গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তার ব্যাপারে এতটুকু আমরা আপনাদের জানাচ্ছি যে, অতীতের শত সিরাতের সারনির্যাস ও বর্তমান সময়ের রাজনৈতিক অস্থিরতার সমাধান এতে আলোচনা করা হয়েছে। এমন বিশ্লেষণধর্মী-শিক্ষামূলক আরেকটি সিরাতগ্রন্থ আমাদের নজরে পড়েনি।মূল গ্রন্থটি আরবি ভাষায় রচিত। বাংলা ভাষায় বিশ্লেষণধর্মী বিশুদ্ধ সিরাতের শূন্যতা পূরণে ‘কালান্তর প্রকাশনী’ গ্রন্থটির অনুবাদ প্রকাশ করে তিন খণ্ডে আপনাদের হাতে তুলে দিচ্ছে।
Sale

সুলতান আবদুল হামিদ

৳ 270.00 ৳ 189.00
লেখক : ড. আলী মুহাম্মদ আস-সাল্লাবী
বিষয় : ইসলামি ইতিহাস ও ঐতিহ্য, ইসলামী ব্যক্তিত্ব
অনুবাদক : কাজী আবুল কালাম সিদ্দীক
সম্পাদনা ও বানান সমন্বয় : সালমান মোহাম্মদ
পৃষ্ঠা : ১৯২
পাঠক এ বইটি থেকে জানতে পারবেন সেই সুলতানের জীবনচরিত, যিনি মানুষের মাঝে ইসলামের আলো ছড়িয়ে দিয়ে, অসংখ্য বিদ্যালয়, হাসপাতাল, ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠা করে, মক্কা শহরকে বন্যা থেকে রক্ষার জন্য আধুনিক পানি সঞ্চালন পদ্ধতি চালু করে, ইস্তাম্বুল, ফিলিস্তিন ও মদিনা শহরকে সংযুক্ত করে ‘হিজাজ রেল-লাইন’ চালু করে আজও গোটা পৃথিবীর মাঝে বিখ্যাত হয়ে আছেন। তিনি তার সমসাময়কি রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার জন্য প্রশংসিত ছিলেন।আপনি কি জানেন তিনি কে? তিনি সুলতান আবদুল হামিদ। সুলতান দ্বিতীয় আবদুল হামিদ? হ্যাঁ, সুলতান দ্বিতীয় আবদুল হামিদের কথাই বলছি। তার জীবনের সাথে জড়িয়ে আছে পৃথিবীকে প্রায় সাড়ে ১৩০০ বছর শাসন করা খিলাফত পতনের ইতিহাস। সুতরাং এমন দীকপাল সুলতান সম্পর্কে জানতে পড়ুন-‘সুলতান আবদুল হামিদ’ বইটি।
Back to Top

Shopping cart